জীবনের সঞ্চিত সমস্ত সম্পদের তুলনায় হিজরত করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র সান্নিধ্য মুবারক, ছোহবত মুবারক-এ চলে যাওয়া আমার কাছে বহু গুণে উত্তম
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাপবিত্র হিজরত মুবারক করার পর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা একে একে গোপনে পবিত্র হিজরত মুবারক করতে লাগলেন। হযরত সুহাইব রুমী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি দীর্ঘ দিন মহাপবিত্র মক্কা শরীফ-এ অবস্থানকারী কাফিরদের পক্ষ থেকে আমানবিক নির্যাতন সহ্য করেছেনে।
তিনি একদিন সিদ্ধান্ত নিলেন যে, তিনিও পবিত্র হিজরত মুবারক করে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ-এ চলে যাবেন। তিনি পবিত্র হিজরত মুবারক উনার প্রস্তুতি নিয়ে মহাপবিত্র মক্কা শরীফ থেকে রওয়ানা হলেন। কুরাইশরা সংবাদ পেয়ে উনাকে বাধা দিলো।
তিনি তুনীর (তীর রাখার ব্যাগ) সামনে রেখে বললেন- হে কুরাইশ সম্প্রদায়! তোমরা ভালো করেই জানো যে, তীর নিক্ষেপে আমি তোমাদের সকলের চেয়ে অধিক পারদর্শী। মহান আল্লাহ পাক উনার শপথ! আমার কাছে একটি তীর অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত তোমরা আমার কাছে ভিড়তে পারবে না। তারপর যতক্ষণ আমার হাতে তরবারি থাকবে আমি তরবারি দিয়ে আত্মরক্ষা করবো। কুরাইশরা বললো- সম্পদ নিয়ে আপনাকে মক্কা শরীফ ত্যাগ করতে দিবো না। হয়তো স্বীয় সম্পদ রেখে যাত্রা করুন। অন্যথায় মক্কা শরীফেই অবস্থান করুন।
হযরত সুহাইব রুমী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি পার্থিব জীবনে সঞ্চিত সমস্ত সম্পদে পদাঘাত করে বলে দিলেন, সঞ্চিত সমস্ত সম্পদের তুলনায় হিজরত করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র সান্নিধ্য মুবারক, মহাপবিত্র ছোহবত মুবারক-এ চলে যাওয়া আমার কাছে বহু গুণে উত্তম। অতএব তোমরা আমার সম্পদ নিয়ে নাও। আর এর বিনিময় আমার রাস্তা ছেড়ে দাও।
হযরত সুহাইব রুমী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি পবিত্র হিজরত মুবারক করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র দরবার শরীফ-এ উপস্থিত হয়ে সবকিছু ব্যক্ত করলেন। মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন- হে হযরত সুহাইব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনি এ ব্যবসায় অত্যন্ত লাভবান হয়েছেন। কেননা, আপনি ধ্বংসযোগ্য সম্পদ বর্জন করে চিরন্তন সম্পদ অর্জন করেছেন। এরপর সম্মানিত ও পবিত্র ওহী মুবারক অবতীর্ণ হলেন-
وَمِنَ النَّاسِ مَن يَشْرِي نَفْسَهُ ابْتِغَاءَ مَرْضَاتِ اللَّهِ ۗ وَاللَّهُ رَءُوفٌ بِالْعِبَادِ.
অর্থ: মানুষের মধ্য থেকে এমন কিছু লোক রয়েছেন, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের উদ্দেশ্যে নিজেদেরকে বা স্বীয় জীবনকে বিক্রি করে দেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু। (পবিত্র সূরা বাক্বারা, আয়াত শরীফ- ২০৭)
খুবই চিন্তা এবং ফিকিরের বিষয়, হযরত সুহাইব রুমী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র মুহব্বত মুবারক-এ উনার মহাপবিত্র দীদার মুবারক, সান্নিধ্য মুবারক ও ছোহবত মুবারক লাভের লক্ষ্যে উনার সারা জীবনের সঞ্চিত সমস্ত সম্পদকে কুরবান করতে, পরিত্যাগ করতে বিন্দুতম চিন্তা করলেন না। সুবহানাল্লাহ!
অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ওই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার পরিপূর্ণ মিছদাক্ব ছিলেন যেখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
لاَ يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتّٰى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ. وَفِيْ رِوَايَةٍ أُخْرٰى مِنْ مَالِهٖ وَنَفْسِهٖ.
অর্থ : নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের কেউ ততোক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদারই হতে পারবে না যতক্ষণ না সে তার পিতা-মাতা, সন্তানাদি এবং সমস্ত মানুষের চেয়ে অপর বর্ণনায় রয়েছে তার মাল-সম্পদ এমনকি নিজের জীবনের চেয়েও আমাকে সবচেয়ে বেশি মুহব্বত না করবে। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ)
অর্থাৎ প্রত্যেক হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা উনাদের পিতা-মাতা, আল আওলাদ, আত্মীয়স্বজন, সমস্ত মানুষ এবং উনাদের স্বীয় সমস্ত মাল-সম্পদ এমনকি উনাদের নিজেদের জানের চেয়েও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সবচেয়ে বেশি মুহব্বত মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ন্যায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমস্ত কিছুর চেয়ে সবচেয়ে বেশি মুহব্বত মুবারক করার এবং উনাদের ন্যায় পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়ার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!
জীবনের সঞ্চিত সমস্ত সম্পদের তুলনায় হিজরত করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র সান্নিধ্য মুবারক, ছোহবত মুবারক-এ চলে যাওয়া আমার কাছে বহু গুণে উত্তম -০৫
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাপবিত্র হিজরত মুবারক করার পর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা একে একে গোপনে পবিত্র হিজরত মুবারক করতে লাগলেন। হযরত সুহাইব রুমী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি দীর্ঘ দিন মহাপবিত্র মক্কা শরীফ-এ অবস্থানকারী কাফিরদের পক্ষ থেকে আমানবিক নির্যাতন সহ্য করেছেনে।
তিনি একদিন সিদ্ধান্ত নিলেন যে, তিনিও পবিত্র হিজরত মুবারক করে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ-এ চলে যাবেন। তিনি পবিত্র হিজরত মুবারক উনার প্রস্তুতি নিয়ে মহাপবিত্র মক্কা শরীফ থেকে রওয়ানা হলেন। কুরাইশরা সংবাদ পেয়ে উনাকে বাধা দিলো।
তিনি তুনীর (তীর রাখার ব্যাগ) সামনে রেখে বললেন- হে কুরাইশ সম্প্রদায়! তোমরা ভালো করেই জানো যে, তীর নিক্ষেপে আমি তোমাদের সকলের চেয়ে অধিক পারদর্শী। মহান আল্লাহ পাক উনার শপথ! আমার কাছে একটি তীর অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত তোমরা আমার কাছে ভিড়তে পারবে না। তারপর যতক্ষণ আমার হাতে তরবারি থাকবে আমি তরবারি দিয়ে আত্মরক্ষা করবো। কুরাইশরা বললো- সম্পদ নিয়ে আপনাকে মক্কা শরীফ ত্যাগ করতে দিবো না। হয়তো স্বীয় সম্পদ রেখে যাত্রা করুন। অন্যথায় মক্কা শরীফেই অবস্থান করুন।
হযরত সুহাইব রুমী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি পার্থিব জীবনে সঞ্চিত সমস্ত সম্পদে পদাঘাত করে বলে দিলেন, সঞ্চিত সমস্ত সম্পদের তুলনায় হিজরত করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র সান্নিধ্য মুবারক, মহাপবিত্র ছোহবত মুবারক-এ চলে যাওয়া আমার কাছে বহু গুণে উত্তম। অতএব তোমরা আমার সম্পদ নিয়ে নাও। আর এর বিনিময় আমার রাস্তা ছেড়ে দাও।
হযরত সুহাইব রুমী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি পবিত্র হিজরত মুবারক করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র দরবার শরীফ-এ উপস্থিত হয়ে সবকিছু ব্যক্ত করলেন। মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন- হে হযরত সুহাইব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনি এ ব্যবসায় অত্যন্ত লাভবান হয়েছেন। কেননা, আপনি ধ্বংসযোগ্য সম্পদ বর্জন করে চিরন্তন সম্পদ অর্জন করেছেন। এরপর সম্মানিত ও পবিত্র ওহী মুবারক অবতীর্ণ হলেন-
وَمِنَ النَّاسِ مَن يَشْرِي نَفْسَهُ ابْتِغَاءَ مَرْضَاتِ اللَّهِ ۗ وَاللَّهُ رَءُوفٌ بِالْعِبَادِ.
অর্থ: মানুষের মধ্য থেকে এমন কিছু লোক রয়েছেন, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের উদ্দেশ্যে নিজেদেরকে বা স্বীয় জীবনকে বিক্রি করে দেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু। (পবিত্র সূরা বাক্বারা, আয়াত শরীফ- ২০৭)
খুবই চিন্তা এবং ফিকিরের বিষয়, হযরত সুহাইব রুমী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র মুহব্বত মুবারক-এ উনার মহাপবিত্র দীদার মুবারক, সান্নিধ্য মুবারক ও ছোহবত মুবারক লাভের লক্ষ্যে উনার সারা জীবনের সঞ্চিত সমস্ত সম্পদকে কুরবান করতে, পরিত্যাগ করতে বিন্দুতম চিন্তা করলেন না। সুবহানাল্লাহ!
অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ওই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার পরিপূর্ণ মিছদাক্ব ছিলেন যেখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
لاَ يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتّٰى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ. وَفِيْ رِوَايَةٍ أُخْرٰى مِنْ مَالِهٖ وَنَفْسِهٖ.
অর্থ : নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের কেউ ততোক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদারই হতে পারবে না যতক্ষণ না সে তার পিতা-মাতা, সন্তানাদি এবং সমস্ত মানুষের চেয়ে অপর বর্ণনায় রয়েছে তার মাল-সম্পদ এমনকি নিজের জীবনের চেয়েও আমাকে সবচেয়ে বেশি মুহব্বত না করবে। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ)
অর্থাৎ প্রত্যেক হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা উনাদের পিতা-মাতা, আল আওলাদ, আত্মীয়স্বজন, সমস্ত মানুষ এবং উনাদের স্বীয় সমস্ত মাল-সম্পদ এমনকি উনাদের নিজেদের জানের চেয়েও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সবচেয়ে বেশি মুহব্বত মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ন্যায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমস্ত কিছুর চেয়ে সবচেয়ে বেশি মুহব্বত মুবারক করার এবং উনাদের ন্যায় পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়ার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!
حَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَالْحَسَنُ الْحُلْوَانِيُّ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، - وَأَلْفَاظُهُمْ مُتَقَارِبَةٌ وَالسِّيَاقُ لِعَبْدٍ - قَالَ حَدَّثَنِي وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، - وَهُوَ ابْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ - حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، قَالَ حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا حَدِيثًا طَوِيلاً عَنِ الدَّجَّالِ فَكَانَ فِيمَا حَدَّثَنَا قَالَ " يَأْتِي وَهُوَ مُحَرَّمٌ عَلَيْهِ أَنْ يَدْخُلَ نِقَابَ الْمَدِينَةِ فَيَنْتَهِي إِلَى بَعْضِ السِّبَاخِ الَّتِي تَلِي الْمَدِينَةَ فَيَخْرُجُ إِلَيْهِ يَوْمَئِذٍ رَجُلٌ هُوَ خَيْرُ النَّاسِ - أَوْ مِنْ خَيْرِ النَّاسِ - فَيَقُولُ لَهُ أَشْهَدُ أَنَّكَ الدَّجَّالُ الَّذِي حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَدِيثَهُ فَيَقُولُ الدَّجَّالُ أَرَأَيْتُمْ إِنْ قَتَلْتُ هَذَا ثُمَّ أَحْيَيْتُهُ أَتَشُكُّونَ فِي الأَمْرِ فَيَقُولُونَ لاَ . قَالَ فَيَقْتُلُهُ ثُمَّ يُحْيِيهِ فَيَقُولُ حِينَ يُحْيِيهِ وَاللَّهِ مَا كُنْتُ فِيكَ قَطُّ أَشَدَّ بَصِيرَةً مِنِّي الآنَ - قَالَ - فَيُرِيدُ الدَّجَّالُ أَنْ يَقْتُلَهُ فَلاَ يُسَلَّطُ عَلَيْهِ " . قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ يُقَالُ إِنَّ هَذَا الرَّجُلَ هُوَ الْخَضِرُ عَلَيْهِ السَّلاَمُ .