নাস্তিক শিক্ষক ও ছাত্রের কাহিনী
এক নাস্তিক শিক্ষক ক্লাসে ঢুকেই প্রশ্ন করলঃ আচ্ছা তোমরা তো আল্লাহতে বিশ্বাস কর, তাইনা?
ছাত্রছাত্রীরা সমস্বরেঃ হ্যাঁ আমরা বিশ্বাস করি।
শিক্ষকঃ আল্লাহ তো পৃথিবীর সকল ভালমন্দ সৃষ্টি করেছেন তাইনা?
ছাত্রছাত্রীঃ হ্যাঁ, তিনিই সৃষ্টি করেছেন।
শিক্ষকঃ আল্লাহ তায়ালা যদি ভাল হয়ে থাকেন তাহলে মন্দসমূহ সৃষ্টি করলেন কেন?
ছাত্র ছাত্রীঃ সবাই চুপ। কেউ কোনো উত্তর দিলনা।
শিক্ষকঃ আচ্ছা তোমরা কি কেউ কখনো আল্লাহকে দেখেছো?
ছাত্রছাত্রীঃ না।
শিক্ষকঃ বিজ্ঞান বলে, “যে জিনিস কোনো যন্ত্র বা পঞ্চ ইন্দ্রিয় দ্বারা দেখা যায়না, ছোঁয়া যায় না, অনুভব করা যায় না, তার কোনো অস্তিত্ব নেই! সুতরাং আল্লাহর অস্তিত্ব নেই!! (নাঊজুবিল্লাহ) সৃষ্টিকর্তার ধারণা অলীক কল্পনা মাত্র।” ক্লাসে পিনপতন নিরবতা, কেউ কথা বলছেনা।
একজন ছাত্র উঠে দাড়াল, বলল! “স্যার আমি কিছু বলতে চাই।”
শিক্ষকঃ বল।
ছাত্রঃ স্যার পৃথিবীতে ঠান্ডা বলতে কিছু আছে?
শিক্ষকঃ আছে।
ছাত্রঃ না স্যার, ঠান্ডা বলতে কোনো পদার্থ নেই। তাপমাত্রার অনপুস্থিতিকেই ঠান্ডা বলে। ঠান্ডা পরিমাপ করা যায় না। তাপমাত্রা পরিমাপ করা যায়। অর্থাৎ তাপের অনুপস্থিতিকে ঠান্ডা বলে।
ছাত্রঃ স্যার অন্ধকার বলতে কিছু আছে?
শিক্ষকঃ না।
ছাত্রঃ হ্যাঁ, অন্ধকার বলতে কিছু নেই। অন্ধকার পরিমাপ করা যায় না। আলোর অনুপস্থিতিকেই অন্ধকার বলা হয়। ঠিক তেমনি আল্লাহ তায়ালা মন্দ সৃষ্টি করেননি। ভালোর অনুপস্থিতিকেই মন্দ বলে।
ছাত্রটি সকল ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলল, আচ্ছা তোমরা কেউ স্যারের মস্তিষ্ক দেখেছো?
ছাত্রছাত্রীঃ দেখিনি, তবে স্ক্যানারের মাধ্যমে দেখা সম্ভব।
ছাত্রঃ পৃথিবীর কোনো যন্ত্র দিয়ে কি স্যারের জ্ঞান পরিমাপ করা সম্ভব? স্যার যে এত সব ডিগ্রী, এতসব জ্ঞান অর্জন করেছেন তা কি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভব বা পরিমাপ করা যায়?
ছাত্রছাত্রীঃ না।
ছাত্রঃ তাহলে আমি ঘোষণা দিচ্ছি, যেহেতু কোনো অত্যাধুনিক যন্ত্র বা মানুষের পঞ্চ ইন্দ্রিয় দ্বারা স্যারের জ্ঞান অনুভব বা পরিমাপ করা যায় না, সুতরাং স্যারের কোনো জ্ঞান নেই। তিনি একজন মূর্খ।
বিষয় টা। হাক্বিক্বত দেখবেন
নষ্ট সত্তার আকুতি
পানি দ্বারা অযু করার অর্থ বাহিরের ওয়াদা দিতেছি।
রক্ষা করলে মুসলমান আর রক্ষা না করলে কি হয়?
পানি দ্বারা অযু করার ফজিলত বা হাক্বিকত।
পানি দ্বারা ধৌত করছি আর ওয়াদা দিচ্ছি।
মুসলমান কে? নিজে নিজের বিচার করি।
(১)হাতের কব্জি পর্যন্ত ধৌত করন। এর অর্থ হে আল্লাহ এই হাত দ্বারা কোনো নাফরমানি কাজ বা কোনো পাপ কাজ করবোনা আপনার কাছে ওয়াদা দিলাম। ডান হাতে তিনবার আবার বাম হাতে তিনবার ধৌত করছি এবং ওয়াদা দিতেছি। ৩+৩=৬ বার বলেছি,এখন আমি আমার দুই হাত দিয়ে আল্লাহ নিষিধ্য কাজ থেকে জনমের তরে তওবাহ করলাম,ওয়াদা রক্ষা করলে মুসলমান আর আল্লাহর কাছে ওয়াদা দিয়ে রক্ষা না করলে মুনাফেক।
(২)মুখে পানি দিয়ে গরগরা করা এর অর্থ আমি আমার এই মুখ দিয়ে হারাম খাদ্য খাবোনা,এই মুখে মিথ্যা কথা বলবোনা, এই মুখ দ্বারা কোনো মানুষের ক্ষতি করবোনা হে আল্লাহ আপনার কাছে ওয়াদা দিলাম। একবার একবার করে তিনবার আল্লাহর কাছে ওয়াদা দিলাম। এই ওয়াদা রক্ষা করলে মুসলমান আর ওয়াদা রক্ষা না করলে মুনাফেক।
(৩)নাকে পানি দিয়ে ধৌত করন,হে আল্লাহ আজ থেকে এখন থেকে আমার এই দেহের খারাপ কাজ থেকে তওবাহ করলাম আর কখনো খারাপ কাজ করবো না। হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে ওয়াদা দিলাম তিন বার। এখন যদি এই দেহ দিয়ে আল্লাহ হুকুম অমান্য করি আমার কি শাস্তি হওয়া উচিৎ কি না?
(৪)মুখ মন্ডল ধৌত করন,হে আল্লাহ আমার এই মুখ নিয়ে খারাপ কাজে যাবোনা,যদিও চোখ দিয়ে খারাপ কিছু দেখে ফেলি এই মুখে বলবোনা। এখানেও তিনবার আল্লাহর কাছে ওয়াদা দিলাম, রক্ষা করলে মুসলমান আর রক্ষা না করলে মুনাফেক।
(৫) হাতের কনুই পর্যন্ত তিনবার করে ধৌত করন,এর অর্থ আমার দেহের অহংকার,হিংসা,নিন্দা,রাগ,গীবত,কু-কর্ম পরিত্যাগ করলাম। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে ওয়াদা দিলাম। তিন বার করে মোট ছয় বার ওয়াদা দিলাম। এই ওয়াদা রক্ষা করলে মুসলমান, রক্ষা না করলে মুনাফেক।
(৬)মাথা সহ সের মুছে করন। এর অর্থ হে আল্লাহ আমার মগজ দ্বারা কোনো মুসলমান ভাই-বোনের ক্ষতি করবো না,কানে কু-পরামর্শ শুনবো না আপনার সের আপনার পথে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্যাবিয়্যিন, নূরে মুজাসসাহম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আমার মহাসম্মানিত মুর্শিদ উনার পথে কোরবানি করে দিলাম। এখন কোরবানি দেয়ার পর কি কিছু থাকে? ওয়াদা রক্ষা করলে মুসলমান,রক্ষা না করলে মুনাফেক।
(৭)দুই পায়ের আংগুল গিরা সহ খিলাল করে তিন বার করে ধৌত করন। হে আল্লাহ আমার এই পা দিয়ে আপনার নিষিদ্ধ কোনো কাজে যাবো না। ওয়াদা রক্ষা করলে মুসলমান,ওয়াদা রক্ষা না করলে মুনাফেক।
আমি নিজের কাছে নিজেই প্রশ্ন করি। আমি আল্লাহর কাছে ওয়াদা দিয়ে কতো দিন রক্ষা করেছি।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি কি করে ঐ সম্প্রদায়কে হিদায়েত দান করবেন যারা ঈমান আনার পর কুফরী করে এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সত্য বলে সাক্ষ্য দেয়ার পর উনার নাফরমানী করে এবং তাদের কাছে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বিধান থাকার পর তা অমান্য করে। এসব লোক প্রকৃতপক্ষে যালিমের অন্তর্ভুক্ত। নাউযুবিল্লাহ!
প্রত্যেক ব্যক্তি বা সম্প্রদায়ের জন্য ফরয হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি বিশুদ্ধ আক্বীদা রেখে উনাদের প্রতিটি আদেশ-নিষেধ মুবারক পরিপূর্ণরূপে পালন করা।
আর ইহুদী, মুশরিক, নাছারা তথা বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়মনীতি, তর্জ-তরীক্বা, তন্ত্র-মন্ত্র অনুসরণ করা থেকে বিরত থাকা। তবেই হাক্বীক্বী নাযাত লাভ করা সম্ভব হবে অন্যথায় নয়।
, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
প্রত্যেক ব্যক্তি বা সম্প্রদায়ের জন্য ফরয হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি বিশুদ্ধ আক্বীদা রেখে উনাদের প্রতিটি আদেশ-নিষেধ মুবারক পরিপূর্ণরূপে পালন করা।
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পূর্ববর্তী হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালাম উনাদের প্রতি নাযিলকৃত তিনখানা কিতাব- পবিত্র তাওরাত শরীফ, পবিত্র যাবূর শরীফ, পবিত্র ইন্জীল শরীফ এবং একশ’খানা পবিত্র ছহীফা শরীফ উনার হুকুম এবং অতীতে, বর্তমানে ও ভবিষ্যতে মানবরচিত সকল মতবাদ বাতিল ঘোষণা করে উনার যিনি রসূল, যিনি কুল-কায়িনাতের নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হিদায়েতকারী, সাক্ষ্য দানকারী, সতর্ককারী, সুসংবাদ দানকারী হিসেবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম দিয়ে, পবিত্র কুরআন শরীফ দিয়ে, পবিত্র হাদীছ শরীফ দিয়ে যমীনে পাঠিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি কি করে ঐ সম্প্রদায়কে হিদায়েত দান করবেন যারা ঈমান আনার পর কুফরী করে এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সত্য বলে সাক্ষ্য দেয়ার পর উনার নাফরমানী করে এবং তাদের কাছে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বিধান থাকার পর তা অমান্য করে। এসব লোক প্রকৃতপক্ষে যালিমের অন্তর্ভুক্ত।” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত শরীয়ত অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার পরিপূর্ণ আহকাম বা বিধান আসার পর আর কোন দ্বীন-ধর্ম ও মতবাদের নিয়ম-নীতি, আইন-কানুন বান্দা ও উম্মতের জন্য আমলযোগ্য নয়। বরং তা সম্পূর্ণরূপে পরিহারযোগ্য।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, অথচ আশ্চর্য! কি সাধারণ মুসলমান, কি মুসলমান রাজা-বাদশা, আমীর-উমারা ও সরকার আর কি মুসলমান নামধারী আল্লামা-মুফতী, মুহাদ্দিছ-মুফাসসির, ইমাম-খতীব, ছূফী-দরবেশ, পীর-মাশায়িখ, মুরুব্বী সকলেই একসাথে মিলে ইহুদী-নাছারাদের প্রবর্তিত গণতন্ত্র করছে। নাঊযুবিল্লাহ। কট্টর হিন্দু গান্ধীর প্রবর্তিত হরতাল করছে। নাঊযুবিল্লাহ। কট্টর নাস্তিক মাওসেতুংয়ের প্রবর্তিত লংমার্চ করছে। নাঊযুবিল্লাহ। এমনিভাবে তারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফবিরোধী বেদ্বীন-বিজাতীয়দের কর্মপদ্ধতি যেমন, গান-বাজনা, ছবি, টিভি-সিনেমা, বেপর্দা-বেহায়াপনা, খেলাধুলা নববর্ষ-পহেলা বৈশাখ, থার্টিপাস্ট নাইট উদযাপন ইত্যাদি অসংখ্য হারাম ও কুফরীকে সমর্থন করছে এবং তার মধ্যে গা ভাসিয়ে চলেছে। নাউযুবিল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- ব্যক্তি হোক, সম্প্রদায় হোক মুসলমান হিসেবে থাকতে হলে অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ করতে হবে এবং উনাদের প্রতিটি আদেশ-নিষেধ মুবারক পরিপূর্ণরূপে পালন করার কোশেশ করতে হবে। তবেই তাদের পক্ষে নাজাত পাওয়া সম্ভব হবে অন্যথায় নয়।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘ইলম হচ্ছেন আমল উনার ইমাম।’ সুবহানাল্লাহ!
৯৮% মুসলমান ও রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- বাংলাদেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল পাঠ্যসূচিতে হালাল-হারাম; বিশেষ করে, কীভাবে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হওয়া যায় সে সম্পর্কিত ছহীহ ইলমী বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত করা। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে কোন্ বিষয়গুলো হালাল এবং কোন্ বিষয়গুলো হারাম এ সম্পর্কিত ইলম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত না থাকার কারণেই বর্তমানে মুসলমানরা হালাল কাজে মশগুল না থেকে, হারাম কাজে মশগুল থাকছে। নাউযুবিল্লাহ!
বিশেষ করে, কীভাবে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হওয়া যায় সে সম্পর্কিত ছহীহ ইলম না থাকার কারণেই শিক্ষার্থীরা আজ বেদ্বীন-বদদ্বীন ও কাফির-মুশরিকদের বদ তাছিরে সন্ত্রাসের সাথে জড়িত হচ্ছে। আর প্রশাসনিক কর্মকতা-কর্মচারীরাও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে। নাউযুবিল্লাহ!
, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
৯৮% মুসলমান ও রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- বাংলাদেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল পাঠ্যসূচিতে হালাল-হারাম; বিশেষ করে, কীভাবে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হওয়া যায় সে সম্পর্কিত ছহীহ ইলমী বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত করা। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে কোন্ বিষয়গুলো হালাল এবং কোন্ বিষয়গুলো হারাম এ সম্পর্কিত ইলম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত না থাকার কারণেই বর্তমানে মুসলমানরা হালাল কাজে মশগুল না থেকে, হারাম কাজে মশগুল থাকছে। নাউযুবিল্লাহ!
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে কোন্ বিষয়গুলো হালাল এবং কোন্ বিষয়গুলো হারাম এ সম্পর্কিত ইলম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত না থাকার কারণেই বর্তমানে মুসলমানরা হালাল কাজে মশগুল না থেকে, হারাম কাজে মশগুল থাকছে। নাউযুবিল্লাহ! বিশেষ করে কীভাবে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হওয়া যায় সে সম্পর্কিত ছহীহ ইলম না থাকার কারণেই শিক্ষার্থীরা আজ বেদ্বীন-বদদ্বীন ও কাফির-মুশরিকদের বদ তাছিরে সন্ত্রাসের সাথে জড়িত হচ্ছে। আর প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হালালও স্পষ্ট, হারামও স্পষ্ট।” অর্থাৎ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে যে বিষয়গুলো হালাল তা যেরূপ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, তদ্রƒপ যে বিষয়গুলো হারাম তাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। মূলত যে বিষয়গুলো হারাম সে বিষয়গুলো জেনে তা থেকে বিরত থাকলেই হালালে মশগুল থাকা যাবে। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- সুদ, ঘুষ, শরাব, ব্যভিচার, জুয়া, দুর্নীতি, মালে ভেজাল, মজুদকারী, কালোবাজারী, ওজনে কম দেয়া, মিথ্যা বলা, ওয়াদা খিলাফ করা, ধোঁকা দেয়া, প্রতারণা করা, অপরের সম্পদ আত্মসাৎ করা, টিভি চ্যানেল দেখা ও প্রোগ্রাম করা, সিনেমা, নাটক, ফ্যাশন-শো, সৌন্দর্য্যরে প্রতিযোগিতা ছবি, ভিডিও, গণতন্ত্র, ভোট নির্বাচন করা, পদপ্রার্থী হওয়া, বেপর্দা হওয়া, গান-বাজনা করা, সর্বপ্রকার খেলাধুলা, নওরোজ পালন করা অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ পালন করা, থার্টি ফার্স্ট নাইট, ভ্যালেন্টাইন ডে, বাবা-মা দিবস, নারী দিবস, হাত ধোয়া দিবস, শ্রমিক দিবস (মে দিবস), এপ্রিল ফুল দিবস, রাখীবন্ধন, বসন্তবরণ, দুর্গাপূজা, সরস্বতী পূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা, ক্রিসমাস ডে, কাফির-মুশরিকদের জন্মজয়ন্তী, রজতজয়ন্তী, রোকেয়া দিবস, স্মৃতি স্তম্ভে ফুল দেয়া, মৃত্যের জন্য ১ মিনিট নীরবতা পালন করা, গণতন্ত্র কায়িমের নামে দলাদলী করা, হরতাল, লংমার্চ, অবরোধ, সন্ত্রাসবাদ, কুশপুত্তলিকাদাহ, হাঙ্গার স্ট্রাইক করা, দাড়ি কাটা, বিধর্মীদের পোশাক পরিধান করা, বিধর্মীদের প্রশংসা করা ও অনুসরণ-অনুকরণ করা, নারীটিজিং ইত্যাদি হারাম ও কবীরা গুনাহ। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আশ্চর্যের বিষয় যে, ৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে উল্লিখিত হারাম বিষয়গুলোর কোনো উল্লেখ নেই। তাই ৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- বাংলাদেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল পাঠ্যসূচিতে হালাল-হারাম; বিশেষ করে, কীভাবে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হওয়া যায় সে সম্পর্কিত ছহীহ ইলমী বিষয়গুলি অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা। তাহলে সকল মুসলমান হারাম থেকে বিরত থেকে হালালের মধ্যে মশগুল থেকে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হতে পারবে।
আরবি টেক্সট:
أُوصِيكُمْ بِتَقْوَى اللَّهِ وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ وَإِنْ عَبْدًا حَبَشِيًّا، فَإِنَّهُ مَنْ يَعِشْ مِنْكُمْ بَعْدِي فَسَيَرَى اخْتِلَافًا كَثِيرًا، فَعَلَيْكُمْ بِسُنَّتِي وَسُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الْمَهْدِيِّينَ الرَّاشِدِينَ، تَمَسَّكُوا بِهَا وَعَضُّوا عَلَيْهَا بِالنَّوَاجِذِ، وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْأُمُورِ فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ
বাংলা উচ্চারণ:
উসিকুম বিতাকওয়াল্লাহি, ওয়াস-সাময়ি ওয়াত-ত্বাআতি, ওয়া-ইন আবদান হাবাশিয়্যান। ফাইন্নাহু মান ইয়ায়িশ মিনকুম বা'দী ফাসাইয়ারাক্বতিলাফান কাসীরান। ফাআলাইকুম বিসুন্নাতি ওয়া সুন্নাতিল খুলাফায়িল মাহদিয়্যীনার রাশিদীন। তামাস্সাকু বিহা ওয়া আদদু আলাইহা বিন-নাওয়াজিজ। ওয়া ইয়্যিকুম ওয়া মুহদাসাতিল উমুরি, ফাইন্না কুল্লা মুহদাসাতিন বিদআহ, ওয়া কুল্লা বিদআতিন দালালাহ।
নামাজের সময়সুচি দেখুন
যাত্রাবাড়ীতে ৪টি ককটেল বিস্ফোরণ, রিকশাচালক আহত এবার মিরপুর-১ নম্বরেও বাসে আগুন মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন বুটেক্স শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা রিয়াদে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ, প্রধান বিমানবন্দরের কাছে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা ও এক্সপার্ট হিসেবে গড়ে তুলতে শাবিপ্রবিতে ‘আইপিই স্ফেয়ার’ নাটোরে পুকুর থেকে আনসার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার গুলশানের এডিসিসহ ৪ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি কোন এলাকায় কত শতাংশ বাড়ি ভাড়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
মহাসম্মানিত ১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ আসতে আর মাত্র
মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ১৪৪৮ হিজরীর সম্ভাব্য তারিখ- ২৭ ছালিছ ১৩৯৪ শামসী, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খৃ:, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)
ডিপি ওয়ার্ল্ডের চুক্তির প্রতিবাদে বন্দর শ্রমিকদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) তাজা খবর
ডিপি ওয়ার্ল্ডের চুক্তির প্রতিবাদে বন্দর শ্রমিকদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইসরাইল-দুবাইভিত্তিক বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) হস্তান্তরের প্রস্তাবের প্রতিবাদে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বন্দর শ্রমিকদের নেতৃত্বাধীন সংগঠন 'চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ'।
গতকাল আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের সভাপতি হুমায়ুন কবির এবং সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খোকন জানান, আগামী মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত মানববন্ধন এবং ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় ফকিরহাট থেকে ওয়ান স্টপ এলাকা পর্যন্ত মিছিল করবে সংগঠনটি।
এনসিটি চুক্তির প্রস্তাবের প্রতিবাদ করায় ১৫ জন বন্দর কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, বন্দরের শূন্য পদে নিয়োগ এবং বিদেশি অপারেটরের কাছে টার্মিনাল হস্তান্তরের সব কার্যক্রম বন্ধের দাবিও জানায় পরিষদ।
ইব্রাহিম খোকন বলেন, আমরা বিশ্বাস করি সরকার বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে এবং কোনো বিদেশি কোম্পানিকে এনসিটি বা চট্টগ্রাম বন্দরের অন্য কোনো স্থাপনা পরিচালনার সুযোগ দেবে না।
পরিষদের সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, ২০০৮ সাল থেকে এনসিটি পরিচালিত হচ্ছে এবং এটি এরই মধ্যে আধুনিক কনটেইনার-হ্যান্ডেলিং সরঞ্জামে সজ্জিত।
তিনি বলেন, বর্তমান পরিচালন পরিস্থিতিতে এনসিটিতে কোনো বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই। কোনো বিদেশি কোম্পানির কাছে এটি হস্তান্তরের মানে হলো, এমন একটি সম্পদ দিয়ে দেওয়া যা এরই মধ্যে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব তৈরি করছে।